যিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম আরজু, এবার দাঁড়িয়েছেন বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পদে।
- ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের
- ভিড়ের বাজারেও থাকুক শৃঙ্খলা
- ট্রাক-লরি বাইরে, ক্রেতা ভেতরে
- গুপ্ত চাঁদা নয়, স্বচ্ছ ব্যবসা
- দুর্গন্ধমুক্ত, পরিচ্ছন্ন বড়বাজার
কে এই আরিফুল ইসলাম আরজু?
একরামপুর আর পূর্ব তারাপাশার বেপারী পরিবারে তাঁর বেড়ে ওঠা। বাবা মরহুম আইয়ুব আলী বেপারী, আর বড় ভাই মরহুম তাজুল ইসলাম ছিলেন বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, পরে সভাপতি — বাজারের মালিক আর শ্রমিক, দুই পক্ষের পাশেই আজীবন দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
সেই একই ধারাবাহিকতায় আরিফুল ইসলাম আরজু কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড থেকে জনগণের সরাসরি ভোটে পরপর তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রদল থেকে শুরু হওয়া তাঁর সাংগঠনিক যাত্রা আজ প্রায় দুই দশকের।
পদ তাঁকে ক্ষমতা দেয়নি, দায়িত্ব দিয়েছে
ওয়ার্ডে তিনি যা করেছেন, তারই কিছু প্রমাণ — নিজের চোখে দেখা এলাকাবাসীর সাক্ষ্য।
সড়ক ও ড্রেনেজ
৭নং ওয়ার্ডের বেহাল সড়ক আর জলবদ্ধতা নিয়ে নিজে সার্ভে করে পৌর পরিষদে বারবার সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন।
মাদকমুক্ত সমাজ
মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীকে নিয়ে মানববন্ধন করেছেন, প্রশাসনকে বাধ্য করেছেন ব্যবস্থা নিতে।
তরুণদের ক্রীড়া
হারিয়ে যেতে বসা ফুটবল প্রতিভাদের খুঁজে বের করে ক্রীড়া সামগ্রী ও নিয়মিত টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা করেছেন।
নাগরিক সেবা
নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ থেকে সালিশি — সবকিছুতেই নিশ্চিত করেছেন হয়রানিমুক্ত সেবা।
শীতবস্ত্র বিতরণ
প্রতি শীতে ওয়ার্ডের দরিদ্র মানুষদের কাছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কম্বল পৌঁছে দিয়েছেন।
বাজারের নিরাপত্তা
একরামপুরের ছোট ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করেছেন নিরাপদ, নিরুপদ্রব ব্যবসার পরিবেশ।
ওনার নামে একটা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ চাইলাম, কেউ দিতে পারলো না। এটাই আসলে সবচেয়ে বড় সার্টিফিকেট।
— ওয়ার্ডের এক প্রবীণ বাসিন্দাবড়বাজারের জন্য তাঁর পরিকল্পনা
যানজট, দুর্গন্ধ, গোপন চাঁদাবাজি — এই সমস্যাগুলো তিনি প্রতিদিন কাছ থেকে দেখেছেন, একজন ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য হিসেবেই। সম্পূর্ণ ১২ দফা পরিকল্পনা আসছে পরের পর্বে — তার আগে একটা ঝলক।
যানজটমুক্ত, স্বস্তির বাজার
নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ব্যস্ত সময়ে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
দুর্গন্ধমুক্ত, পরিচ্ছন্ন বাজার
খোলা ড্রেন ঢেকে নিয়মিত পরিষ্কারের স্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে।
গুপ্ত চাঁদা নয়, স্বচ্ছ ব্যবসা
চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সরাসরি সমন্বয় করা হবে।
এই তিনটি ছাড়াও যানবাহন ব্যবস্থাপনা, ন্যায্য তদারকি ও দুস্থ ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা নিয়ে আরও ৯টি অঙ্গীকার থাকছে সম্পূর্ণ পরিকল্পনায়।
গল্পের শুরু এখানেই
এটা কোনো একদিনের প্রচারণা নয় — এটা প্রায় দুই দশকের আস্থার ধারাবাহিকতা। আগামী পর্বে থাকছে তাঁর সম্পূর্ণ পরিকল্পনা, একদম বিস্তারিতভাবে।